আমাকে প্রেমিক নাও ভাবতে পারো।

হিমাঙ্ক তাপ জড়তা ছড়িয়ে দিলে
দ্বিধা বিভক্ত হাত গোলাপ অঞ্জলির স্পর্ধায়
নির্লজ্জ হতে পারেনি ।
অথচ কলেজ ফেরা পথ চুপিসারে রেখেছিল অপেক্ষায়
আমার চৈত্রমাস ।

আর ফাগুনের আগুন রেখে তোমার উচ্ছল ঢেউ
বাঁধ ভেঙ্গে দৈবাৎ দাবানল হয়ে গেলে
অজস্র কিট-পতঙ্গ ছুঁতে চায় জৈবিক সার্থকতা,
তখন নিতান্তই কাব্যিক বেদনায় মুখ ঢেকে
সমস্ত ইচ্ছে-ডানা আমার চিলেকোঠায় নির্বাসিত ।

অতঃপর রাত ঘুম জমে নির্দ্বিধায় দেওয়ালে দেওয়ালে
কোনারকীয় ভাস্কর্য হয়ে ওঠে ।

এই সব পাতা যা একটু গোচর পেলে
মুহূর্তকালে ফুল হয়ে যেত ,
তুমি পড়েও দেখনি ।

যেমন দেখনি একবারও বেবাক জলতরঙ্গে অদ্ভুত
আজ কেমন করে দিঘী নাস্তানাবুদ
চাঁদের ছায়াটুকুতেই !!

 

 


 

Tagged with →  
Share →

One Response to জলতরঙ্গ (শুভেন্দু ধাড়া)

  1. ভালবাসা মানে পাগলামো
    ভালবাসা মানে নিজেকে হারানো।
    ভালবাসা মানে মনের কোনে দুষ্টু উঁকি ঝুঁকি
    ভালবাসা মানে মনের ক্যনভাসে রঙের আঁকিবুকি।
    ভালবাসা মানে আবেগ নিয়ে খেলা
    ভালবাসা মানে নিজেকে মুক্ত করে
    খোলা আকাশে মেলে ধরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *