ধূসর পৃথিবীর এক প্রান্তে বসে আছি একাকী
কতজন যায় আসে আশা নিরাশায়
উদাস বিকালের হওয়ায় ।
আমার গন্তব্যের গাড়ি অতি বিলম্ব
আমার জন্মলগ্নের মতো।

চাঁদের পুর্ণ অবয়বে জাতকের জন্ম শুভ
যশ খ্যাতি দুয়ারের চৌকাঠে,
নক্ষত্রের আপন আলোয় দীর্ঘপথ চলা-
তাই অতিরিক্ত কিছুকাল অপেক্ষা মাতৃগর্ভে
বিড়ম্বনায়।
ভূমিষ্ঠকালে কান্নাটা জমা ছিল বিধাতার কাছে –
হয়তো ভবিষ্যতের জন্য।

বিলম্বিত গাড়িটা অহর্নিশ চলতে থাকে
ব্যাথা বেদনা কিংবা হতাশার স্টেশনগুলি ছুঁয়ে ছুঁয়ে!
আমার স্বপ্ন-আশা হারিয়ে যায় চিলের ডানায়
এক প্রগাড় অন্ধকারে।
আমার বালখিল্য ইচ্ছাগুলো
মিহি সুতোর কার্পেটে হামাগুড়ি দেয়।

একদিন এক ঊর্বশী ভালবাসর বন্ধ্যা জমিতে
প্রেমের বীজ লাগিয়ে –
এক আলোকবর্ষ দুরে ।
বিফল পরাগরেণুগুলো বাতাসে মেশে অকারন-
অবশেষে নিঃসঙ্গ রাত্রিযাপন।

ব্যর্থ নক্ষত্রের আপন আলো নিঃশেষিত
অন্ধকারের আলোর গভীরে-
তারপর সেই ভুমিষ্ঠকালের গচ্ছিত নিঃশব্দ কান্নাটা
ভাসিয়ে নিয়ে যায়
প্রবাহহীন হৃদয়কে গভীর সমুদ্রের দিকে;
যেখানে অসীম আকাশকে
বড় আপন বলে মনে হয়।

Tagged with →  
Share →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *